চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃষ্টির কারণে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর চাপ। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে নতুন করে ৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ৩৬ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং রেফার্ড করা হয়েছে একজন নারী রোগীকে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাহবুব হাসান। তিনি জানান, বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫২ জন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মোট ৪৯২ জন ভর্তি হয়েছেন। বহির্বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ৩১৬ জন। এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্তে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। ডা. মাহবুব হাসান জানান, বৃষ্টির কারণে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডেঙ্গু কর্নার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত রয়েছে। চিকিৎসক সংকটের মধ্যেও রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান এই চিকিৎসক। বিস্তারিত প্রতিবেদন সাজিয়ে দেন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গুর চাপ, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৩৯
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
বৃষ্টির কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়তে শুরু করেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নতুন করে ৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৩৬ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গুরুতর অবস্থায় এক নারী রোগীকে অন্যত্র রেফার্ড করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাহবুব হাসান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলা হাসপাতালে ৫২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মোট ৪৯২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে আরও ৩১৬ জনের। তবে এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।
ডা. মাহবুব হাসান বলেন, বৃষ্টির কারণে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। এরপরও হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিকে, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে জমে থাকা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের প্রয়োজন রয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শ, জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা অতিরিক্ত দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পাশাপাশি বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

